
স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে পাকিস্তানের বোলারদের কোণঠাসা করে মাত্র ৫৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাহমুদুল হাসান জয়। তবে মাইলফলক স্পর্শ করার পরপরই মনোযোগ হারান এই ওপেনার। আব্বাসের বলে আব্দুল্লাহ ফজলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১০টি চারের সাহায্যে ৬৪ বলে ৫২ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন জয়। জয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে মুমিনুল হকের সঙ্গী হয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯৬ রান। প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানসহ স্বাগতিকদের বর্তমান লিড দাঁড়িয়েছে ১৪২ রানে।
দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই প্রথম উইকেট হারানোর পর ক্রিজে এসে ওপেনার জয়ের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। সবশেষ তিন ইনিংসে রান না পাওয়া জয় আজ শুরু থেকেই ছিলেন বেশ ছন্দে। হাসান আলীকে মুমিনুল চার মারার পরপরই বাংলাদেশের লিড একশ পার হয়ে যায়। এরপর মাত্র ৫৪ বলে মুমিনুল-জয় জুটি পঞ্চাশ রান স্পর্শ করে প্রতি আক্রমণ চালায়।
এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২৬ রান করা অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম এবার প্রথম বলেই চার মেরে ইতিবাচক শুরু করেছিলেন। তবে খুররম শাহজাদের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে সৌদ শাকিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন। ফলে মাত্র ৪ রানেই প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
তার আগে, দ্বিতীয় দিনের প্রথম দুই সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩২ রানেই থমকে যায় পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করায় ৪৬ রানের লিড পায়। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন বাবর আজম।
দিনের শুরুতে পাকিস্তানের দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল (৮) ও আজান আওয়াইসকে (১৩) ফিরিয়ে প্রথম ব্রেক-থ্রু দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। এরপর অধিনায়ক শান মাসুদ (২১) ও সৌদ শাকিলকে (৮) দ্রুত সাজঘরে পাঠিয়ে মিডল অর্ডার কাঁপিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
হাফ সেঞ্চুরি করে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা বাবর আজমকে (৬৮) ফিরিয়ে দিনের সবচেয়ে বড় উইকেটটি নেন গতি তারকা নাহিদ রানা। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৩), সালমান আলী আঘা (২১) ও হাসান আলীকে (১৮) একে একে ফিরিয়ে পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের পক্ষে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম ৩টি করে এবং তাসকিন ও মিরাজ ২টি করে উইকেট নেন।