
স্পোর্টস ডেস্ক: ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে দুর্দান্ত সূচনা করেছে অস্ট্রিয়া। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, রালফ রাংনিকের অধীনে দলটি কেবল অংশ নিতে নয়, বরং জিততে এসেছে। গ্রুপ ‘জে’-তে আজ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তারা। এই মহারণের আগে অস্ট্রিয়া দল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
অংশগ্রহণ: মোট ৮ বার (১৯৩৪, ১৯৫৪, ১৯৫৮, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৯০, ১৯৯৮ এবং ২০২৬)। সেরা সাফল্য: ১৯৫৪ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন। ফিফা র্যাঙ্কিং: ২৩তম।:
অস্ট্রিয়ার বর্তমান কোচ বিশ্ব ফুটবলের ‘প্রেসিং’ কৌশলের অন্যতম পথিকৃৎ রালফ রাংনিক। তার হাত ধরেই দলটি দীর্ঘ খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া ইউরো ২০২৪-এও তার প্রশিক্ষণ প্রশংসিত হয়েছিল। তার সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ ও গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবল যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
দলের সবচেয়ে বড় ভরসা রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। তার অভিজ্ঞতা দলের রক্ষণভাগকে সুসংহত রাখে। পাশাপাশি মিডফিল্ডার রোমানো শ্মিড এবং মার্সেল সাবিৎসারের সৃজনশীলতা অস্ট্রিয়ার আক্রমণভাগে নতুন ধার যোগায়।
আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে অতীতে খুব কমই দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ১৯৯০ সালে তাদের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। তবে ১৯৮০ সালের প্রীতি ম্যাচে ডিয়েগো ম্যারাডোনার হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনা ৫-১ গোলে জয় পেয়েছিল। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও দীর্ঘ ৩৬ বছর পর দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের মঞ্চে।
গোলকিপার: প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে। ডিফেন্ডার: ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, ফিলিপ লিনহার্ট, স্টেফান পসখ প্রমুখ। মিডফিল্ডার: মার্সেল সাবিৎসার, কনরাড লাইমার, রোমানো শ্মিড, প্যাট্রিক ভিমার প্রমুখ। ফরোয়ার্ড: মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।
মেসিদের বিপক্ষে আজ অস্ট্রিয়া কি পারবে তাদের রক্ষণ জমাট রেখে অঘটন ঘটাতে? ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন ডালাসের মাঠের দিকে।
জান্নাত সকালবেলা