২ বছরের মধ্যে চালু হবে একক ডিজিটাল আইডি: রেহান আসাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ (ডিপিআই) গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের (দুই বছর) মধ্যে বাংলাদেশে একটি সমন্বিত একক ‘ডিজিটাল আইডি’ চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে মহাসচিবের প্রযুক্তিবিষয়ক দূতের কার্যালয় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) আয়োজিত এক বিশেষ উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। উল্লেখযোগ্য যে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে একমাত্র বাংলাদেশই এই মর্যাদাপূর্ণ প্যানেলে আলোচনার সুযোগ পায়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈশ্বিক এই ইভেন্টের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে রেহান আসাদ বলেন, "আমরা বিশ্বমানের সবচেয়ে নিরাপদ ও আধুনিক ডিপিআই ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল আইডি ব্যবস্থা বাংলাদেশে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। বিশ্বের সফল মডেলগুলো থেকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা এই টেকসই অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু করেছি। আমরা এখানে কোনো তড়িঘড়ি বা ‘শর্টকাট’ নিতে চাই না, বরং ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছি।"
বাংলাদেশের সর্বাধুনিক ডিপিআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে তথ্য আদান-প্রদানে বিশ্বখ্যাত এস্তোনিয়ার 'এক্স-রোড' (X-Road) প্রযুক্তিগত মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে বলেও জানান আইসিটি উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে বিভিন্ন দেশের ডিজিটাল পরিচয় যাচাই ও সরকারি সেবা কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায় (Interoperability), সেই বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও রুয়ান্ডার মতো বেশ কিছু দেশের সীমান্তপারের পরিচয়পত্রের দৃষ্টান্ত টেনে রেহান আসাদ উল্লেখ করেন, আগামী দিনে বৈশ্বিক ডিজিটাল নাগরিক সেবায় সুশাসন, নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখাই হবে ডিপিআই ও ডিজিটাল আইডির মূল চাবিকাঠি।