ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

প্রকাশ: বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ণ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা

তাছনিম আলম, ইবি প্রতিনিধি: যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অনুষদ ভবনের উত্তর গেট থেকে এক বর্ণাঢ্য মোবারক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরবর্তীতে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক আলোচনা সভা এবং বাদ যোহর বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী ও জীবনাদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ খ ম ওয়ালী উল্লাহ, আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের হাফেজ আবু নোমান মো. এরশাদ উল্লাহ এবং আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কাউছার মো. বাকী বিল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “মহানবী (সা.)-এর সমগ্র জীবন ছিল মানবতা ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নিবেদিত, যা জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছেই চিরন্তন অনুকরণীয়। উম্মত হিসেবে তাঁর সুমহান আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ধারণ ও প্রচারের মূল দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মের ওপরই বর্তায়।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অনুষদকে গবেষণায় শীর্ষ অবস্থানে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ইসলামকে সঠিকভাবে অনুধাবনের জন্য সাধারণ শিক্ষার সাথে আধুনিক ইসলামী শিক্ষার যথার্থ সমন্বয় ও মেলবন্ধন ঘটানো অপরিহার্য।

আলোচনা সভা শেষে বাদ যোহর দেশ, জাতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আশরাফ উদ্দিন খান।

মন্তব্য করুন