শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আইরিন খানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশ: রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ণ
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আইরিন খানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ প্রতিনিধি আইরিন খান।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে এক সৌজন্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।

রবিবার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষার সার্বিক আধুনিকায়ন, গুণগত মানোন্নয়নে বর্তমান সরকার গৃহীত নানা পদক্ষেপ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এসব বাস্তবায়নে জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে শিক্ষা খাতের যুগোপযোগী সংস্কারে বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন আইরিন খান।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে জাতিসংঘের সার্বিক ও অব্যাহত সহায়তার জন্য সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে দেশের শিক্ষা কাঠামোর আধুনিকায়নে জাতিসংঘের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা ও ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমাদের দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত দক্ষ আন্তর্জাতিক মানের জনসম্পদে রূপান্তরিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি, আধুনিক প্রযোগধর্মী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর আমরা সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছি।" একই সাথে সরকারের এসব নতুন সংস্কার উদ্যোগে জাতিসংঘের কারিগরি ও উন্নয়নমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

জবাবে জাতিসংঘ প্রতিনিধি আইরিন খান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মেধার মূল্যায়ন করে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য-প্রযুক্তির (আইসিটি) সর্বাত্মক ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের তরুণেরা দারুণ সম্ভাবনাময় এবং বিশ্বজুড়ে এ দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ যোগ্যতায় সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে এই অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মত দেন তিনি

মন্তব্য করুন