পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.
রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘসময় ধরে চলা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কী কী সুনির্দিষ্ট কূটনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ থেকেই কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি অত্যন্ত সাধারণ ও পূর্বনির্ধারিত একটি বৈঠকের অংশ।
ঢাকা ও নয়াদিল্লির বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ার আলোচনার মধ্যেই এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বিশেষ করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বসে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক অডিও বক্তব্য প্রকাশকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে নয়াদিল্লির ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ আয়োজিত এক বিশেষ সংলাপে ভার্চ্যুয়ালি অডিও বার্তার মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নয়াদিল্লির ভূখণ্ড ব্যবহার করে এমন রাজনৈতিক কর্মসূচির আয়োজন করার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।
যদিও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানায় যে, শেখ হাসিনার ওই নির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে ভারত সরকারের সরাসরি কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক পথ উন্মুক্ত রাখতে উভয় দেশই গঠনমূলক সংলাপে গুরুত্ব দিচ্ছে।
|