তারেক রহমানের নতুন রাজনীতিতে প্রত্যেক মানুষ সুফল পাবে: আমির খসরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের এবং তাঁর নতুন চিন্তাতেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, এই নতুন ধারার রাজনীতি ও কল্যাণমুখী অর্থনীতিতে দেশের কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ বাদ যাবে না এবং প্রতিটি নাগরিকই উন্নয়নের সুফল পাবে।
শনিবার (৯ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে পুনর্বাসনের গৃহ হস্তান্তর, অর্থ অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাজেটের সার্বিক দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, "বাংলাদেশের যুবসমাজ, শিশু, নারী, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীসহ প্রতিটি জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করেই জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রতিটি সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট জানা রয়েছে। বদলে যাওয়া বিশ্বব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে তিনি নতুন রাজনীতি ও চিন্তায় বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেছেন।"
প্রতিটি পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষাবেষ্টনী ও সরকারি সুবিধার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে অর্থনীতির সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষিকার্ড’ দেওয়া হচ্ছে। একই সাথে সম্মানিত আলেম-ওলামাদের সার্বিক কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষায় আলাদা বাজেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।"
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "সর্বস্তরের নাগরিকের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে, যেন মানুষ বিনা পয়সায় চিকিৎসা পেতে পারেন। দেশের মানুষের সবচেয়ে বেশি ব্যয়ের দুটি প্রধান খাত—শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। তাই এই দুই খাতে সবচেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে খরচ কমে গেলে, এর সাথে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের সরাসরি সুবিধা পেলে দেশের আর কেউ পিছিয়ে থাকবে না।"
বাঁশখালী অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা প্রসঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আস্বস্ত করে বলেন, বাঁশখালীর টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।
|