গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

প্রকাশ: শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হয়েছে।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) দিবসটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জেলায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব রফিকউজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। সভায় জেলা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, "আজকের এই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতা এক অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে নেমে এসে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নতুন ধারা উন্মোচন করেছিল। সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বাকশালী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে নতুন করে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা শুরু করেছিলেন।"

তিনি আরও বলেন, "ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সূচনা না হলে বাংলাদেশে তত্কালীন বাকশালী কায়দায় একদলীয় শাসন চিরস্থায়ী রূপ নিত।"

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক রফিকউজ্জামান বলেন, "বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের মূল প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সুদৃঢ় ভিত্তি রচিত হয়েছিল। এর পর পরই সিপাহি-জনতার অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে তিনি জনবান্ধব রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।"

নির্ধারিত আলোচনা সভা পর্বের সমাপ্তি শেষে স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় এক বর্ণাঢ্য ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।