কটিয়াদীতে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ভাগাভাগির অভিযোগ

প্রকাশ: বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ভাগাভাগির অভিযোগ

মিজানুর রহমান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ): কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শেখর ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের অষ্টঘরিয়া গ্রামের এক স্কুলছাত্রী প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা জাহাঙ্গীর আলম কটিয়াদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই শেখর ইসলাম বাবুল তদন্তের একপর্যায়ে কটিয়াদী বাজারের 'মুন জুয়েলার্স' থেকে সেই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেন।

ছাত্রীর মা সোমাইয়া আক্তার অভিযোগ করেন, উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ফেরত চাইতে গেলে এএসআই শেখর ইসলাম বাবুল অর্ধেক স্বর্ণ তাকে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে পুরো দেড় ভরি স্বর্ণ বুঝে পেয়েছেন মর্মে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়ার শর্ত দেন। এই অভিযোগ সংবলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে কটিয়াদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ইলিয়াস আলীর উপস্থিতিতে এএসআই শেখর ইসলাম বাবুল উদ্ধার করা দেড় ভরি স্বর্ণালংকার সোমাইয়া আক্তারের কাছে হস্তান্তর করেন।

অভিযোগকারী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দুপুরে তিনি দেড় ভরি স্বর্ণ বুঝে পেয়েছেন। বণিক সমিতির সভাপতি ইলিয়াস আলী বলেন, উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে একটি আপসনামা সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে এএসআই শেখর ইসলাম বাবুল বলেন, উদ্ধার করা স্বর্ণ অভিযোগকারীর কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি জানার পর এএসআই শেখরকে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বণিক সমিতির উপস্থিতিতে তা ভুক্তভোগীর কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন