এনসিপির রাজনীতি চলছে জামায়াতের নির্দেশে: রাশেদ খান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ণ
এনসিপির রাজনীতি চলছে জামায়াতের নির্দেশে: রাশেদ খান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, "নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে এনসিপি মূলত 'ভণ্ডবস্তে'র রাজনীতি শুরু করেছে। তাদের বর্তমান চালচলন ও কৌশল জামায়াতের পরামর্শে পরিচালিত হচ্ছে।"

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও জেলার সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, "গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির অবসান ঘটেছে। শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ দিল্লিতেই দাফন হয়ে গেছে। সেখান থেকে ফিরে এসে দেশের রাজনীতিতে পুনরায় জায়গা করে নেওয়া তাদের পক্ষে আর সম্ভব নয়।"

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী কোনো ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। নিজের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পরও তিনি কারো বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপে হাঁটতে চান না। সকলকে সঙ্গে নিয়েই তিনি একটি ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চান।"

এনসিপির সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির কঠোর সমালোচনা করে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, এনসিপি নেতা নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির বেশ কিছু নেতা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে নির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিনীকে নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হচ্ছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও কাদা-ছোড়াছুড়ির রাজনীতি পরিহার করে তাদের ইতিবাচক ধারায় ফেরার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন। সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক এম এ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাহফুজ হোসেন, ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখনসহ সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় রাশেদ খান জেলার মাদক বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের পরামর্শ দেন।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন