বিশ্ব শিক্ষক দিবস: শিক্ষকদের অধিকার রক্ষায় বিএনপি সরকারের অবদান

প্রকাশ: শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ণ
বিশ্ব শিক্ষক দিবস: শিক্ষকদের অধিকার রক্ষায় বিএনপি সরকারের অবদান

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ: শিক্ষক একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান কারিগর। শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না; তিনি শিক্ষার্থীর চিন্তা, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলেন। তাই শিক্ষকের মর্যাদা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা একটি রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের শিক্ষক দিবস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ১৯৬৬ সালের আইএলও-ইউনেস্কোর শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত সুপারিশের ৬০ বছর পূর্তি হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ইতিহাসও নতুন করে আলোচনার দাবি রাখে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষক ও শিক্ষা খাতে নেওয়া কিছু উদ্যোগ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় বেতন সহায়তার আওতায় আনা, এমপিও ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং বর্তমানে শিক্ষা সংস্কারের বিভিন্ন পরিকল্পনা—এসব উদ্যোগকে ধারাবাহিকতার আলোকে দেখা প্রয়োজন।

জিয়াউর রহমানের সময়ে এমপিও ব্যবস্থার সূচনা 

বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় বেতন সহায়তার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়টি গুরুত্বপূর্ণ। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতিত্বের সময় বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং এমপিও ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের বেতনের ৫০ শতাংশ সরকারি সহায়তা দেওয়া শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে এই হার ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পায়। এটি ছিল বেসরকারি শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ। কারণ এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন প্রদানে রাষ্ট্রের সরাসরি অংশগ্রহণের কাঠামো তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে এমপিও ব্যবস্থা বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ভিত্তিতে পরিণত হয়।

খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে বেতন-ভাতা ও শিক্ষা সম্প্রসারণ 

বেসরকারি শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় বেতন সহায়তা পরবর্তী সময়ে আরও বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে, খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের সময়ে এমপিও সহায়তা ৮০ শতাংশে এবং পরবর্তী বিএনপি সরকারের সময়ে তা শতভাগ মূল বে정에 উন্নীত হয়। ২০০৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকার বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য উৎসব ভাতার ঘোষণা দেয়। শিক্ষকরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ এবং কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে এ সুবিধা পাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। একই সময়ে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও শিক্ষা কমিশন গঠনের কথাও তুলে ধরে।

২০০৫ সালের নতুন বেতন কাঠামোতেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা রাখা হয়। সে সময় প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক এই বেতন কাঠামোর আওতায় ছিলেন বলে সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদে জানানো হয়েছিল।

প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে বিএনপি সরকারের উদ্যোগ 

খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মেয়াদে প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তারেও বড় প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০৪ সালে দ্বিতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা পিইডিপি-২ চালু করা হয়। প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার এই কর্মসূচিতে ৩৫ হাজার যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং ৩০ হাজার নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়ে উন্নীত করা, বিনা মূল্যে প্রাথমিক ও মেয়েদের শিক্ষা, উপবৃত্তি এবং ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও সে সময়ের সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এসব উদ্যোগের গুরুত্ব ছিল শুধু শিক্ষার্থী বাড়ানোর মধ্যে নয়; বিদ্যালয়ের পরিধি সম্প্রসারণের সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ ও শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ও কল্যাণ 

শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা শুধু বেতন কাঠামোর ওপর নির্ভর করে না। উৎসব ভাতা, অবসর সুবিধা, কল্যাণ তহবিল, চিকিৎসা সুবিধা এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগও শিক্ষক কল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০০৪ সালের সিদ্ধান্তে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী উৎসব ভাতার আওতায় আসেন। একই সময়ে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ আইন সংশোধন এবং তাঁদের পেনশন-সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের কথাও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উল্লেখ করেছিলেন।

তবে শিক্ষকসমাজের সব দাবি যে তখনই পূরণ হয়েছিল, এমনটি বলা যাবে না। সমসাময়িক সংবাদে বেসরকারি ও কমিউনিটি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ও চাকরি জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলনের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। অর্থাৎ বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি শিক্ষকসমাজের অপূর্ণ দাবিগুলোকেও ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

২০২৬: তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষা খাতে নতুন অঙ্গীকার 

২০২৬ সালে বিএনপির নির্বাচনী ঘোষণাপত্রে শিক্ষা ও মানবসম্পদকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাপত্রে শিক্ষা খাতে ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ, বিনা মূল্যে বিদ্যালয়ের পোশাক, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ এবং ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’-এর মতো উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ঘোষণাপত্রে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ, অবসর সুবিধা সহজীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।

জুলাই ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে সরকারি বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করেন। এর সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয়ও যুক্ত করা হয়।

শিক্ষককে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা 

বর্তমান যুগে শিক্ষকতার সঙ্গে প্রযুক্তির সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে। ডিজিটাল পাঠদান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অনলাইন শিক্ষা উপকরণ এবং তথ্যভিত্তিক শিক্ষণপদ্ধতি শিক্ষকতার ধরন বদলে দিচ্ছে। এ কারণে ২০২৬ সালের বিএনপির শিক্ষা পরিকল্পনায় শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে প্রযুক্তি যেন শিক্ষকের বিকল্প না হয়ে শিক্ষকের সহায়ক হয়—নীতিনির্ধারণে এই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল দক্ষতা ও তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

অবসর সুবিধা সহজীকরণের অঙ্গীকার 

একজন শিক্ষক কর্মজীবনের শেষ প্রান্তে এসে যেন নিজের ন্যায্য প্রাপ্য পাওয়ার জন্য দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি না হন—এটি শিক্ষক মর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিএনপির ২০২৬ সালের ঘোষণাপত্রে শিক্ষকদের অবসর সুবিধা সহজীকরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সমস্যা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে এর জন্য ডিজিটাল আবেদন, দ্রুত যাচাই, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং স্বচ্ছ অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা: শিক্ষককে প্রাপ্য স্বীকৃতি 

শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ জন শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে এই ধরনের সম্মাননার পরিধি ছিল অনেক সীমিত। শিক্ষক সম্মাননার পরিধি বাড়ানো হলে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা—বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের অবদান জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

শিক্ষা সংস্কার কমিশন ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ 

শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। তাই শুধু বেতন বৃদ্ধি বা অবকাঠামো নির্মাণ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও দলমতনিরপেক্ষ শিক্ষা পরিকল্পনা। ২০২৬ সালের বিএনপি ঘোষণাপত্রে শিক্ষাসংস্কার কমিশন গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। কমিশনের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম সংস্কার, শিক্ষক নিয়োগে মেধার গুরুত্ব, অবসর সুবিধা সহজীকরণ এবং শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়ন নিয়ে সমন্বিত নীতি প্রণয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই কমিশনে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষা প্রশাসন, গবেষক, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হলে নীতিনির্ধারণ আরও বাস্তবভিত্তিক হতে পারে।

শিক্ষক দিবসে বিএনপি সরকারের অবদানের মূল্যায়ন 

বাংলাদেশে শিক্ষক অধিকার ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশ কোনো একক সরকারের কাজের ফল নয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার শিক্ষা খাতে অবদান রেখেছে। তবে বিএনপি সরকারের সময়ের কয়েকটি পদক্ষেপ বিশেষভাবে আলোচনায় আসে—বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় আনার ধারার বিকাশ, এমপিও সহায়তা বৃদ্ধি, উৎসব ভাতা, প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বর্তমানে শিক্ষা সংস্কার কমিশন ও শিক্ষক কল্যাণকে ঘিরে নতুন অঙ্গীকার।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকতা। একটি সরকার যে ভিত্তি তৈরি করে, পরবর্তী সরকার তা আরও উন্নত করতে পারে। শিক্ষক কল্যাণের ক্ষেত্রেও এমন ধারাবাহিক রাষ্ট্রীয় নীতি প্রয়োজন।

পরিশেষে বলা যায়, বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—শিক্ষকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা মানে শুধু একটি পেশাকে সম্মান করা নয়; বরং জাতির ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেসরকারি শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় বেতন সহায়তার সূচনা থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে এমপিও সুবিধা বৃদ্ধি, বেতন-ভাতা সম্প্রসারণ, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন এবং ২০২৬ সালের নতুন শিক্ষা সংস্কার পরিকল্পনা—সবকিছুকে একটি দীর্ঘ নীতিগত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা যায়।

বিএনপি সরকারের অতীত উদ্যোগ এবং ২০২৬ সালের ঘোষিত পরিকল্পনাগুলোর সাফল্য শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর। শিক্ষক যেন সম্মানজনক বেতন পান, অবসরে নিরাপদ থাকেন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ পান, প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন এবং রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপমুক্ত পরিবেশে পাঠদান করতে পারেন—এটাই হওয়া উচিত ভবিষ্যৎ শিক্ষা নীতির মূল লক্ষ্য। শিক্ষকের মর্যাদা যত বাড়বে, শিক্ষার মান তত শক্তিশালী হবে; আর শিক্ষার মান শক্তিশালী হলেই সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

এআইএল/সকালবেলা