ইরানের সেনাবাহিনী ও অর্থনীতি তছনছ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ণ
ইরানের সেনাবাহিনী ও অর্থনীতি তছনছ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যে বর্তমানে ইরানের কোনো নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী অবশিষ্ট নেই এবং দেশটির সার্বিক সামরিক কাঠামো ও অর্থনীতি পুরোপুরি তছনছ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ওই পোস্টে তিনি আগামী মঙ্গলবারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জয় নিশ্চিত করার জোর তাগিদ দেন। ইসরায়েলি জনগণের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা ও ইরানের বিরুদ্ধে ‘চলতি মিশনটি সফলভাবে শেষ করতে’ নেতানিয়াহুর পুনরায় নির্বাচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

পোস্টে নিজ প্রশাসনের অতীত ও চলমান সামরিক পদক্ষেপের স্মৃতিচারণ করে ট্রাম্প লেখেন, "আমরা সফলভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনা করেছিলাম। এর ফলে বর্তমানে ইরানের কার্যকর কোনো নৌ বা বিমানবাহিনী বলতে কিছু নেই। দেশটির সেনাবাহিনী ও অর্থনীতি দুটোই মারাত্মকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, যার একটি বড় প্রমাণ হলো সেখানে মূল্যস্ফীতি বর্তমানে ৩০১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।"

তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক সমন্বিত নৌঅবরোধের মুখে পড়ে তেহরান এখন কোনো তেল রপ্তানি করতে পারছে না। একই সাথে সফল নিখুঁত হামলার মাধ্যমে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় স্তরের প্রথম সারির শীর্ষ নেতৃত্বকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে।

পোস্টে ট্রাম্প ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে নেতানিয়াহুর প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থনপত্র তুলে ধরে জানান, ইসরায়েলের শত্রু দেশগুলোসহ পুরো বিশ্ব ভালো করেই জানে যে যৌথ বিজয়ের জন্য নেতানিয়াহু ও তাঁর মধ্যে একটি অভূতপূর্ব, শক্তিশালী এবং কার্যকরী অংশীদারত্ব রয়েছে।

নিজের সামরিক অর্জনের ফিরিস্তি তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, অতীতে ভেনেজুয়েলায় তাঁর নির্দেশনায় চালানো সামরিক অভিযান ছিল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অপারেশন। এর পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে অতীতে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর মাধ্যমে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা থেকে সফলভাবে প্রতিরোধ করা হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সকালবেলা / নুসরাত