আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের
প্রকাশ: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন ডেস্ক : আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের সকল মহাসড়ককে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষের হয়রানিমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যকেও মহাসড়কে যানবাহন থামিয়ে অবৈধ অর্থ বা টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না।সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ বলেন, “আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কগুলোকে সার্বিকভাবে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে পারব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়া এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আশ্বস্ত করে বলেন, এই সময়ের পর যানবাহন চালক কিংবা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা আদায়ের বিন্দুমাত্র অভিযোগ আর থাকবে না।তিনি জানান, বাহিনীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সার্বিক কর্মদক্ষতা বাড়াতে বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে আধুনিক ও উচ্চপ্রযুক্তির নজরদারি ব্যবস্থা চালু অন্যতম।সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির অংশ হিসেবে অপরাধ দমন ও মাদক চোরাচালান বন্ধে পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ১৬টি পয়েন্টে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) চালিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ঢাকা-মাওয়া রুটেও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালু রয়েছে, যা কেন্দ্র থেকে তদারকি করছে হাইওয়ে পুলিশ।হাইওয়ে পুলিশ প্রধান উল্লেখ করেন, এআই চালিত এই আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা মহাসড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক পাচার রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে শক্তি জোগাবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো এবং যানজট নিরসনে এটি দারুণ ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য মহাসড়কগুলোতেও এ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।বর্তমানে দেশব্যাপী ৭৩টি থানার মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশ তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেবার মান আরও উন্নত করতে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, পরিধি বৃদ্ধি এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
|