শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুরু হচ্ছে টানা ৫ দিনের ছুটি
অনলাইন ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি। আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) পর্যন্ত দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
পূজার ছুটির আগে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ছিল সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস। টানা ছুটি উপলক্ষে আজ বিকেল থেকেই রাজধানীর বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চ ঘাটে বাড়িফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। মূল ছুটির সাথে সাপ্তাহিক ছুটির মাঝখানে থাকা ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কর্মদিবস থাকলেও মন্ত্রিসভার বিশেষ অনুমোদনে ওই দিনটিতেও নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরের দুদিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের অবকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অবশ্য ছুটি সমন্বয় নিশ্চিত করতে এর আগে গত ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সব সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সরকারি ছুটির মেয়াদে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার এবং সুপ্রিম কোর্টসহ নিম্ন আদালতের স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা ও দাপ্তরিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মী ও প্রতিষ্ঠানগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, সমুদ্র ও স্থল বন্দরগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা এবং এসব সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন। দেশের সকল হাসপাতাল, জরুরি বিভাগ, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধসহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। ব্যাংক কার্যক্রম বিশেষ প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের জরুরি কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নিজস্ব সুবিধাজনক নির্দেশনা জারি করবে। বেসরকারি খাতের তৈরি পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য 'বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬' অনুসরণে ছুটি নির্ধারণের বিষয়ে নির্দেশিকা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।