ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রতারণা করেছেন: রাশেদ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ণ
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রতারণা করেছেন: রাশেদ

বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চরম প্রতারণা করেছেন বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদ খাঁন। এই নৈতিক স্খলন ও প্রতারণার দায় স্বীকার করে সাদিক কায়েমের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি জানান।

সাদিক কায়েম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে মৌখিকভাবে যোগদান করেছেন— এমন দাবি করে রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে লেখেন, "সাদিক কায়েমের জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে লেখার পর অনেকে আমাকে জানিয়েছেন, তিনি দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী হয়েছেন— এটি সত্য। তবে বর্তমানে ডাকসুর ভিপি পদে আসীন থাকার কারণে তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেননি। আপাতত জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি মৌখিকভাবে যোগদান চূড়ান্ত করেছেন; ভিপির মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।"

তিনি আরও স্পষ্ট করে লেখেন, "আমিও তো কোথাও বলিনি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। বরং তিনি মৌখিকভাবে দলটিতে যোগ দিয়ে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন, এই তথ্যটি তো মিথ্যা নয়।"

ডাকসু ভিপির রাজনৈতিক অবস্থানের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন লেখেন, "আমার প্রশ্ন হলো— যিনি নিজে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির বিরোধিতা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তোলেন, তিনি কীভাবে গোপনে ‘দাঁড়িপাল্লা’র হয়ে ভোট চেয়ে বেড়ালেন এবং ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি দলের মেয়র প্রার্থী হলেন? এটা কি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা নয়?"

এই স্ববিরোধী অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশ্বাসের সাথে এই প্রতারণার দায়ে সাদিক কায়েমের নৈতিকভাবে ভিপি পদে থাকার অধিকার নেই এবং তাঁর দ্রুত পদত্যাগ করা উচিত।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন