দেশের প্রতিটি উপজেলায় কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ণ
দেশের প্রতিটি উপজেলায় কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানী ঢাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (ফাইল ছবি)।

অনলাইন ডেস্ক: দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি ঘোষণা দেন, প্রান্তিক মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এখন থেকে দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘নগর এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, শুধু উপজেলা পর্যায়েই নয়, চিকিৎসা পরিকাঠামো আরও জোরদার করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালগুলোতেও পর্যায়ক্রমে উন্নত ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিডনি রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে ছুটে যেতে হবে না।

সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের সরকারি অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষের কথা বিবেচনা করে সরকার ইতিমধ্যে ১৯২টি নতুন নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সামগ্রিক সেবার পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়ানোর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

 তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নগরবাসী যাতে উপজেলা বা বড় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা না করেই সহজে ও দ্রুততম সময়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে। এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে বিশেষ করে দেশের খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া আরও অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।”

দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে নতুন নতুন আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, হাসপাতাল ভবন সম্প্রসারণ ও নানামুখী স্বাস্থ্যবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেন দেশের কোনো অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে কোনো অবহেলিত গ্রাম চিকিৎসাসেবা থেকে বিন্দুমাত্র বঞ্চিত না থাকে। চিকিৎসার অভাবে যেন একটি মানুষেরও অকাল প্রাণহানি না ঘটে, ঠিক সেই মানবিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান সমানভাবে বাড়িয়ে চলেছি।”

মন্তব্য করুন