৩টি দেশের শোকাবহ আবহে তেহরানে পৌঁছে বার্তা দিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইরানের সদ্যপ্রয়াত ও দেশটির দীর্ঘকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা এবং শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান পৌঁছেছেন বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) ইরানের স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল বহনকারী বিমানটি রাজধানী তেহরানে অবতরণ করে। এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বরাত দিয়ে দুপুরের দিকে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ সময় আজ দুপুর পৌনে ১টায় ইরান থেকে সরাসরি যোগাযোগ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজা ও শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে তেহরানের ঐতিহাসিক ‘গ্র্যান্ড মুসল্লা’ প্রাঙ্গণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও কূটনৈতিক নেতারা সমবেত হয়েছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পবিত্র মরদেহ সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য সেখানে আনা হয়েছে। ঐতিহাসিক ও আবেগঘন এই মুহূর্তে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ প্রতিনিধিদলের ১০ জন সদস্য মুসল্লা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশের পক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মূল জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ধর্মীয় নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র নগরী ও তাঁর নিজ জন্মস্থান মাশহাদে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত বা দাফন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শনিবার তেহরানের ঐতিহাসিক জানাজায় অংশ নেওয়ার পর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং তাঁদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের শিয়া মুসলিমদের অন্যতম শীর্ষ ধর্মগুরু ও টানা ৩৬ বছর ধরে দেশটির সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি... (এখানে মূল সংবাদের সূত্র ধরে বাক্যটি শেষ হতে পারে)।
|