আজ বিশ্ব নাচোস দিবস

প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
আজ বিশ্ব নাচোস দিবস

অনলাইন ডেস্ক:আজ ২১ অক্টোবর, বিশ্ব নাচোস দিবস। মচমচে টরটিলা চিপসের ওপর গলানো পনির, ঝাল জালাপেনো বা কাঁচা মরিচ এবং সুস্বাদু বিভিন্ন ডিপ ও সসের মেলবন্ধনে তৈরি মেক্সিকান এই খাবারটি এখন পুরো বিশ্বেই অত্যন্ত জনপ্রিয় এক স্ন্যাকস। ঘটনাক্রমে আজ দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী হওয়ায় উৎসবের দিন শেষে পরিবার-পরিজন বা বন্ধুদের আড্ডায় মুখরোচক খাবার হিসেবে নাচোস হতে পারে চমৎকার একটি সংযোজন।

নাচোসের উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছে এক চমৎকার ও জরুরি পরিস্থিতির গল্প। ১৯৪৩ সালে মেক্সিকোর পিয়েদ্রাস নেগ্রাস শহরের ‘ভিক্টরি ক্লাব’ নামক এক রেস্তোরাঁয় কয়েকজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী খাবার খেতে আসেন। কিন্তু সেই মুহূর্তে রেস্তোরাঁর প্রধান বাবুর্চি বা বাবুর্চিখানার কর্মীরা অনুপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন রেস্তোরাঁর তৎকালীন কর্মী ইগনাসিও আনায়া।

রান্নাঘরে থাকা মেক্সিকান টরটিলা রুটি কেটে ত্রিভুজাকারে ভেজে চিপস বানিয়ে নেন ইগনাসিও। তারপর তাতে চেডার পনির ও জালাপেনো মরিচ ছড়িয়ে দিয়ে ওভেনে গরম করে পরিবেশন করেন। গ্রাহকরা নতুন এই পদ খেয়ে ভীষণ প্রশংসা করেন এবং এর নাম জানতে চান। ইগনাসিও তাঁর নিজের ডাকনাম ‘নাচো’ অনুসারে খাবারটির নাম দেন ‘নাচোস এসপেশিয়ালেস’। সেই থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ‘নাচোস’-এর খ্যাতি।

শুরুতে শুধু চিপস, পনির ও মরিচ দিয়ে তৈরি হলেও কালের বিবর্তনে এখন নাচোসে যুক্ত হয়েছে কিমা মাংস, সেদ্ধ বিনস, ক্যাপসিকাম, কুচানো টমেটো, জলপাই ও বিভিন্ন ডিপ বা সস। বিজয়া দশমীর কোলাকুলি ও কুশল বিনিময়ের আড্ডায় চা বা ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে ঘরের তৈরি চিজ নাচোস বা ভেজিটেবল নাচোস সহজেই পরিবেশন করা যায়।

তবে স্বাস্থ্যসচেতনদের মনে রাখা ভালো, নাচোসে পনির ও প্রসেসড সসের মাত্রা বেশি থাকলে অতিরিক্ত চর্বি, লবণ ও ক্যালরি যুক্ত হতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করে পরিমিত পরিমাণে তৈরি নাচোসই হবে উৎসবের আড্ডার সেরা পছন্দ।

সকালবেলা / নুসরাত