এক বছর ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ণ
এক বছর ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

সাঈদ পান্থ, বরিশাল: আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে স্থানীয় ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারগুলোর সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।

মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। আজ গৌরনদীতে প্রথম ধাপে ছয়শ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। বাকি পরিবারগুলোকেও ধাপে ধাপে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর যে বাজেট পেয়েছিলাম, তা ছিল আগের সরকারের তৈরি করা। সেই বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আমরা যে নতুন বাজেট উপস্থাপন করেছি, সেখানে এই খাতের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বরাদ্দের ওপর ভিত্তি করে আগামী এক বছরে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই হিসাবে প্রতি উপজেলায় গড়ে ৭ হাজার পরিবার এই সুবিধা পাবে এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।”

দেশ গঠনে নারীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের সুশিক্ষিত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে নারীদের জন্য দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা নারীদের স্বাবলম্বী করতে এবার অনার্স (স্নাতক) পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব। পাশাপাশি মেধাবী ছাত্রীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।”

শিক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ নারীরা যাতে অর্থনৈতিকভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ডের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোর মাঠ থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন